| নীল রক্ত ,উপন্যাস, গল্প, Nil, Rokto, golp, upornas |
নীল পালিয়েছে রিতুর মাথা ঠিক
নেই,
কারণ নীল এমন ছেলে তা রিতু
কল্পনাও করতে পারে নাই,
রিতুর লাইফটাই বরবাদ হয়ে গেলো
বলতে মানুষ বলবে দেখো এই মেয়ের
আগে একটি বিয়ে হয়েছিলো,
কিন্ত রিতুর মনে জেদ চাপলো নীল
কে তা জেনে ছাড়বে,
তাই নীলের বাড়ি চলল সেখান
থেকে সব কিছু গুছিয়ে নিজের
বাবার বাড়ি যাবে সেখানে ২দিন
থেকে থানার কাছে একটা বাসা
নিবে,
নীলের বাসায় গেলো কিন্ত দরজা
টা খোলা যেখানে রিতু তালা
ঝুলিয়ে গিয়েছিল,
রিতু আস্তে করে ভিতরে ঢুকলো এদিক
সেদিক তাকিয়ে দেখলো তারপর
শোবার ঘরে গেলো দেখলো নীল
শুয়ে আছে,
নীল কে দেখে রিতু অবাক হয়ে
গেলো তারপর নীল কে ডাকলো।
-এই এই নীল এই নীল।
-হ্যাঁ হ্যাঁ কে কে? (ভয় পেয়ে)
নীল চোখ খোলে তাকিয়ে দেখলো
রিতু
-ওহ আপনি।
-হুম আমি কিন্ত তুমি থানা থেকে
পালিয়েছো কেনো।
-এই আপনাকে কে বলল, আমি থানা
থেকে পালিয়েছি,
-আমি নিজে থানায় গিয়েছিলাম,
-আপনি ভালো করে জানেন, আমাকে
ছেড়ে দিয়েছে,
রিতু থানায় ফোন দিলো ওসি কে আর
নীলের নাম বললেন, ওসি বলল নীল
কে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে,
রিতু যেনো দীর্ঘ নিশ্বাস ছেড়ে
বাঁচলো,
বাসায় দাদু না থাকায় নীল
জিজ্ঞেস করলো,
নীল-আচ্ছা দাদু কই?
রিতুর চোখ গুলো তখন বড় বড় হয়ে
গেলো এখন নীল কে কি উত্তর দিবে,
রিতু-......... চুপ।
নীল- কি হল বলছেন না কেনো দাদু
কই?
রিতু-....... চুপ করেই আছে?
নীল- দাদু কই? কথা কানে যাচ্ছে না?
(ধমক দিয়ে)
রিতু- চমকে যায় নীলের ধমক খেয়ে।
রিতু-আসলে দাদু কে খোঁজে পাওয়া
যাচ্ছে না,তোমাকে যেদিন জেলে
যাও তারপর দিন থেকে,
নীল- কি? দাদু কে পাওয়া যাচ্ছে
না,
রিতু - হুম।
নীল- আমাকে বলেন নাই কেনো,
রিতু- এখন রিতু পড়ে যায় বিপাকে কি
বলবে,তাই রিতু বলল,
রিতু- বলি নাই এটা আমার ভুল হয়েছে,
নীল- ভুল হয়েছে নাকি আমার দাদু
কে খুন করে গুম করে ফেলছেন,
রিতু- কি সব বাজে কথা বলছো আমি
কেনো খুন করতে যাবো,
নীল- সম্পত্তির লোভে?
রিতু- হোয়াট?
নীল- ইয়েস বিকস,আমি জেলে দাদু গুম
এই বিশাল সম্পত্তির মালিক কে
থাকে তাহলে? ইউ?
তারপর আপনার পছন্দ মতো কোন ছেলে
কে বিয়ে,
নীলের কথা ধরতে গেলে সত্যি,
রিতু- নীল দেখো আমি এমন টা করি
নাই, তুমি আমাকে ভুল বুঝছো,
নীল- না, আমি ভুল বুঝছি না,আপনি
চাইলেই আমাকে জেল থেকে বের
করতে পারতেন,
কিন্ত আপনি তা করেন নাই,
নিজের ক্ষমতায় জেল থেকে বের
হয়েছি,আর রাতের মধ্যে আমার দাদু
কে চাই না হলে মামলা করতে বাধ্য
হবো,
রিতু নীল যা মনে করেছিলো নীল
তেমন না,আর নীল কে বলতেও পারছে
ন,যে আমি তোমাকে সন্দেহ
করেছিলাম
তুমি এই তুমি সেই,
তাহলে আরো বিপদে পড়ে যাবে
রিতু,
উপায় না বুঝে রিতু মাথা ঘুরে পড়ে
গেলো কিন্ত এটা একটা রিতুর অভিনয়
ছিলো,যাতে নীলের কাছে কোন
কৈফিয়ত না দিতে হয়,
নীল রিতু কে ধরে বেডে শুইয়ে দিয়ে
কালো লম্বা চাদর মুরি দিয়ে বের
হলো রিতু তখন আড় চোখে সব
দেখছিলো,
সব থেকে বড় একটা আশ্চর্য কথা হল
রুমের ভিতর একটা গোপন কক্ষ আছে যা
রিতু জানে না কিন্ত আজ তা জানতে
পেরেছে,
রিতু মনে মনে ঠিক করলো নীল একবার
বের হোক তারপর দেখা যাক,
নীল বের হওয়ার সাথে সাথে রিতু
উঠে দরজা লক করে গোপন কক্ষে
যেতে চায় কিন্ত সেখানে কোন
দরজা বা যাওয়ার কোন রাস্তা
খোঁজে পেলো না,
কিন্ত কিছুক্ষণ আগেই দিব্যি দরজা
দেখতে পেলো,
এখন রিতুর মাথা সত্যি সত্যি ঘুরছে,
ভেবে কিছু পাচ্ছে না থো মেরে
বসে আছে রিতু,
দুপুর গড়িয়ে রাত হয়ে গেলো কিন্ত
নীলের কোন খবর নেই,
রিতু এটা বুঝে গেছে নীল কোন
সাধারণ মানুষ না,
রাত ১১টা ১৯ মিনিটে একটা কল
আসে নীলের বিপদ,হসপিটালে আছে
নীল।
অজানা এক অনুভূতির টানে রিতু
ছোটে গেলো হসপিটালে সেখানে
গিয়ে অবাক কান্ড পিচ্ছি একটা
মেয়ে নীল কে রক্ত দিচ্ছে সব চেয়ে
অবাক করা কথা হল মেয়েটির রক্তও
নীল,
পিচ্ছি মেয়েটির বয়স আনুমানিক ৫-৬
বছর,
আর যিনি ডক্টর মনে হচ্ছে না উনি এই
হসপিটালের দেখতে কেমন জানি
ইয়া বড় বড় গোঁফ,
হঠাৎ একটা ব্যাগ চোখে পড়লো মনে
হচ্ছে বাঘের চামড়া দিয়ে
বানানো,
নার্স গুলো কোন কথা বলছে না হা
করে তাকিয়ে আছে,
নীলের শরীরে যে রক্ত যাচ্ছে মনে
হচ্ছে নীল রং যাচ্ছে,
রক্তের ব্যাগ দেখে মনে হচ্ছে নীল
রং এর ডিব্বা ঝুলিয়ে রাখছে,
রক্ত দেওয়া শেষ হল, নীলের শরীরে
রিতু কিছু বলতে যাবে।
ডাক্তার বলল হুসসস চুপ।
নীলের শরীরে জায়গায় জায়গায়
আঁচড়ের দাগ মনে হচ্ছে হিংস্র কোন
জানোয়ার এর থাবা,
হঠাৎ রিতুর ওয়াশরুম চাপ হলো তাই সে
উঠে ওয়াশরুমে গেলো কিন্ত ফিরে
এসে যা দেখলো তা দেখে চোখ
কপালে উঠে গেলো,
বিঃদ্রঃ 1k লাইক না হলে নেক্সট
গল্প দিবো না,প্রতিটি পর্বে 1k+
লাইক চাই,ফ্রেন্ড লিস্টে অনেক
ফ্রেন্ড লাইক না পড়লে আনফ্রেন্ড
করা শুরু করবো যারা লাইক না দেয়
গল্প পড়ে,
Tags
nilrokto-nil-rokto-upornas-oponnas-golpo-vuter-opononas-nil-golp-rokto-pori-rokto-rokto-bengali-atest-movie-rokto-nishan-rokto

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন