নীল_রক্ত পর্ব-০৫ 
নীল রক্ত ,উপন্যাস, গল্প, Nil, Rokto, golp, upornas
শুনশান রাস্তায় রিতু আবার বের হলো
রাস্তায় এখন আর মানুষ চলাচল নেই
বললেই চলে,
ইবু স্যার টা জানি কেমন আসলো না
কেনো,
বলতে বলতেই সামনে এসে পড়ে ইবু
স্যার,
ইবু- কেমন আছো?
রিতু-মনে মনে কেমন আছো মারাইয়ো
না একটু আগে বিপদে পড়ছিলাম,
ইবু- কি ব্যাপার কথা বলছো না
কেনো,
রিতু- জি ভালো, আপনি?
ইবু- হুম ভালো,হঠাৎ এই এলাকায়
কেনো, কোন ইনফরমেশন দরকার নাকি?
রিতু - তা তো দরকারি কিন্ত খুব
জরুরি,
ইবু- ওহ আচ্ছা তা কি এত জরুরি আমাকে
বলা যাবে,
রিতু- বললে নিতে পারবেন তো,
ইবু- আচ্ছা হাটি আর কথা বলি,হুম বলো,
রিতু- সব খোলে বলল,
ইবু মাথায় হাত দিয়ে OmG আচ্ছা চল
দেখা যাক কি হয়,
দুজন কথা বলতে বলতে নাইট ক্লাবের
ভিতর ঢুকলাম,
এখানে কম বেশি সব অপরাধী আসে
আবার সাধারণ মানুষও আসে,
এখানে পুলিশ আসতে ভয় পায়,
এই এলাকা খুবই বিপদজনক কখন কি হয়
বলা যায় না,
এই পুরো এলাকা একজন নিয়ন্ত্রণ করে,
ভিতরে ঢুকে নীলের ছবি দেখাইলাম
অনেকজন কে কিন্ত কেউ চিনে না,
হতাশ মনে বের হয়ে পড়ে দুজনেই,
রিতু ইবু স্যার কে বলল,চলেন থানায়
যাই নীলের সাথে দেখা করে আসি,
রিতু থানায় গেলো রাত তখন ১০টা
বাজে থানায় গিয়ে দেখলো নীল
বসে আছে জেলের ভিতর দেয়াল
হেলান দিয়ে,
রিতু তখন ইবু স্যার কে বললেন উনিই
আমার বর,
তখন ইবু স্যার রিতুর কানে কানে বলল
তুমি যা ভাবছো তা না এই হাদারাম,
নীল কে হাদারাম রিতু ইবু স্যারের
দিকে আড় চোখে তাকায়,
ইবু স্যার তা বুঝতে পেরে , সরি সরি
আসলে এ কি করে কোন ক্রিমিনাল হয়
দেখতেই কি বলবো আবার রাগ করবে,
রিতু-হুম সেটা আমিও ভাবছি কি করে
সম্ভব,
নীল রিতু কে দেখে এগিয়ে আসলো,
আর মায়া ভরা দৃষ্টি দিয়ে বলল,আমার
না অনেক ক্ষুধা লাগছে খাবার
আনছেন,
তখন রিতু নীলের মায়ার কাছে হার
মেনে বিপাকে পড়ে যায় কারণ
খাবার আনে নাই,
রিতু বলল,তুমি জাস্ট ৫মিনিট ওয়েট
করো আমি খাবার নিয়ে আসছে,
ইবু কে রেখেই থানা থেকে বের হয়ে
যায়, ইবু পিছন পিছন ডাকতে থাকে
রিতু ভুলেই গেছে যে ইবু স্যার আছে,
রিতু ইবুর ডাক শুনে দাঁড়ায়,
ইবু- আমাকে রেখে কোথাই যাচ্চো,
রিতু - ও স্যার সরি খেওয়াল ছিলো
না,আমাকে খাবার আনতে নীলের
জন্য,
এনে দিতে পারবেন,
ইবু স্যার মুচকি হেসে, তুমি যা আজ
পর্যন্ত বলছো তা কোন দিন শুনি নি
করি নি এমন হয়েছে তুমি এখানে
অপেক্ষা করো আমি নিয়ে আসছি,
রিতু ইবু স্যারের কথা শুনে দাঁড়ালো
রিতু জানে রাত যতই হোক ইবু স্যার
হতাশ করবে না,
থানার বাহিরে রিতু দাঁড়িয়ে আছে
পাশেই দাঁড়িয়ে আছে একজন
কনস্টেবল বয়স্ক করে,
রিতু- চাচা ভালো আছেন?
চাচা ডাক শুনে উনি উত্তর দিলেন
আলহামদুলিল্লাহ মা ভালো
আছি,আপনি ভালো আছেন।
রিতু-বেশি ভালো নেই, চাচা
--কেনো মা কি হয়েছে,
-থানায় আমার স্বামী,
-কে ঐ নীল রক্ত যার,
--হুম,
-আচ্ছা মা আপনাদের বিয়ে হয়েছে
কত বছর,
রিতু তখন হাত দেখিয়ে বলল,এই যে
দেখেন এখনো মেহেদীর রং উঠে
নাই,
বলতে গেলে বাসর ঘর থেকে ধরে
নিয়ে আসছে,
--কিন্ত মা, তাহলে বাচ্চা টা কার।
--কিসের বাচ্চা মানে কার,
-ঐ নীলের সাথে দেখা করতে আসে,
--কি বলেন চাচা,
-আমি নিজের চোখে দেখছি বাবা
বলে ডাকছিলো,
রিতু কথা টা শুনে অবাক হয়ে যায়
মানে বিশ্বাস করতে পারছে না,
নীলের মেয়ে আসবে কোথা থেকে,
পিচ্ছি একটা ছেলে,
এমন সময় ইবু চলে আসলো কলা আর
পাউরুটি ছাড়া আর কিছুই পেলো না,
রিতু নিয়ে নীল কে দিলো নীল
খাচ্ছে এর মধ্যে রিতু জিজ্ঞেস
করলো থানায় কোন বাচ্চা
আসছিলো,
নীল খেতে হুম আসছিলো তো,বাচ্চা
টা অনেক কিউট কিন্ত ওর বাবা অনেক
পচা খুন করে নাকি জেলে আসছে,
।
রিতু তখন মনে আবার বিশ্বাস ফিরে
পেলো,
হয়তো কনস্টেবল চাচার দেখার ভুল
নীল তো তা বলল,
নীলের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে
থানা থেকে বের হলো,
ইবু রিতু কে বাসা পর্যন্ত পৌঁছে
দিলো,
বাসায় গিয়ে রিতু ভেজা জামা
কাপড় চেন্স করতে যাবে জামার
হাতায় নীল কিছু একটা দেখতে
পেলো,
রিতু নীল রং টা আঙুল দিয়ে এনে
নাকের কাছে ধরলো,
রক্তের গন্ধ আসছে,
তখন রিতুর মাথায় টনক করে একমাত্র
নীলের রক্তই তো নীল।
আর হোটেলের যে কালো পোশাক
পড়া লোকটা ছিলো সেই তো রিতুর
কব্জির উপরে ধরে সরিয়ে ছেলেটির
বুকে লাথি মেরে ছিলো,
তার মানে ঐটা নীল।
তখন রিতু আবার ইবু কে ফোন দেয়,
ফোন করে বলে,ইবু স্যার আমার দশজন
অফিসার লাগবে,
ইবু- কেনো?
রিতু- শুধু একজন কে ধমকাবো,পারলে
আপনিও চলে আসেন,
ইবু স্যার ডিবি পুলিশ উচ্চু পদে আছেন,
রিতু আবার রিং কোট গায়ে
চাপিয়ে বের হলো কারণ বাহিরে
তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে,
রাত তখন ২টা বাজে সেই হোটেলে
গেলো,বৃষ্টি থাকায় সেদিন তেমন
কোন কাস্টমার ছিলো না,
এই সুযোগ টা তখন রিতু কাজে লাগায়,
রিতু একটা পিস্তল নিয়ে হোটেল
মালিকের মাথায় ধরে বলে,
প্রায় ৮টার দিকে এখানে একজন
মারা যায় লাথি মেরে বুকের ছাতি
ভেঙে যাওয়ার ফলে কিন্ত যে
লাথি মেরেছিলো সে কে,
সত্যি না বললে একদম মাথার খুলি
উড়িয়ে দিবো,
--আপা আপা শুনেন,আমি উনাকে
দেখি নাই,উনি তো মুখে মাস্ক পড়া
ছিলো,
-তাহলে ঐ ছেলেগুলো বস বস
বলছিলো কেনো,কি দেখে বস বস
বলল,
--উনার চোখ নীল উজ্জ্বল ছিলো, আর
উনি আমাদের বস,উনার চেহারা আজ
পর্যন্ত কেউ দেখেনি,আর উনার রাগ
হলে চোখ নীল হয়ে যায়,
রিতু- উনি যে প্লেটে খাচ্ছিলো
সেটা আমার চাই আর কাটা চামচ,
-আপা প্লেট টা নিতে পারবেন কিন্ত
চামচ টা বাকিয়ে বলের মতো করে
ফেলছে,আর নীল রং লেগে আছে,,
রিতু- কই কই সেটা আমার লাগবে এখনই
দে,
হোটেল মালিক চামচ দিলো রিতু ইবু
স্যার কে বলল স্যার এটা নিশ্চয়ই যে
বাকিয়েছে চামচ এর কাটা গুলো
তার হাতে ক্ষত তৈরি করেছে,,
ইবু- হুম তা তো অবশ্যই।
রিতু- এবার স্যার থানায় চলেন,
ইবু- এত রাতে যাওয়া যাবে না
তোমার,
রিতু প্লেট আর চামচ নিয়ে বাসায়
গেলো নিজের কাছে রেখে
দিলো,
সকাল হতেই রিতু সেগুলো
ফরেনসিকে নিয়ে গেলো,
সেখান থেকে আবার সোজা থানায়,
রিতুর মাথায় অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক
খাচ্ছে,
কিন্ত গিয়ে দেখলো নীল নেই,একদম
ফাঁকা,
কনস্টেবল বলল আসামি পালিয়েছে
শেষ রাতে,
এবার রিতুর সন্দেহ ঠিক হল,
(চলবে)
# নীল_রক্ত
Tags
নীল_রক্ত, সিজন_১ পর্ব_১_ও_২, Nil Rokto,season,1 porbo 1and 2,নীলরক্ত,নীল রক্ত,গল্প,উপন্যাস,
nilrokto-nil-rokto-upornas-oponnas-golpo-vuter-opononas-nil-golp-rokto নীল রক্ত,নীল রক্ত পর্বঃ ,নীল রক্ত পর্বঃ,#নীল রক্ত,rokto,
rokto full movie,rokto trailer,pori-rokto-rokto-bengali-atest-movie-rokto-nishan-rokto bengali movie 2016,
rokto movie,rokto periye,rokto khoron,nil,rokto full song,pori moni rokto ,rokto movie pori moni,
original rokto movie,lal rokto golapi daag,rokto movie song,rokto movie 2020,rokto bangla movie,
rokto khoron songs,porimoni rokto movie full,ek nodi rokto periye,rokto bangla movie trailer,rokto promotion
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন