পুতুল খেলা গ্রাম বাংলার শিশুদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় খেলা।
এটি সাধারনত মেয়েরা বেশি খেলে থাকে।
বাংলার সর্বত্রই পুতুল খেলা সমান জনপ্রিয়।
পুতুল খেলেনি এমন মেয়ে বাংলায় নেই বললেই চলে।
পুতুল খেলার মান এমন মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। মাটির বাড়ির কাঠ, কিম্বা কাপড় দিয়ে মানুষ আদলে পুতুল ব্যবহার হয়। গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন মেলা, যেমন বৈশাখী মেলা, রথের মেলা, পৌষ সংক্রান্তি, শিবরাত্রি, মহরম, ঈদ এবং পার্বণে হরেক ভিন্নের পুতুল তৈরি করা হয়। অবশ্য এখন প্লাস্টিকের পুতুলও খুব চলছে।
![]() |
| গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পুতুল খেলা খেলাধুলা |
ছেলে-মেয়ে, বর-কনে নানা ধরনের পুতুলের জামা-কাপড় ও গহনা দিয়ে সাজানো হয়।
রান্নাবান্না, সন্তান লালন-পালন, ছেলে পুতুলের সঙ্গে মেয়ে পুতুলের বিয়ে ইত্যাদি খেলা হয় পুতুল খেলা হিসেবে।
আসলে পুতুল খেলায় সারা বিশ্বের একটি ছবি ফুটে ওঠে।
পুতুলগুলো ছোট মেয়েদের বাচ্চাদের মতো।
খুকুমায়রা খাওয়া থেকে ঘুমানো সবই করে মাতৃস্নেহে।
ছোট মেয়েরা শুধু ভালোবাসে না, প্রয়োজনে তাদের পুতুলকে শাসনও করে।
পুতুল খেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হল একজনের মেয়ের সাথে অন্যের ছেলের পুতুলের বিয়ে।
গ্রামীণ খেলা হারিয়ে যাওয়ায় আজ ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া কঠিন। কাবাডি, তোলাবান্ধা, গোল্লাট, বাউচি, কানামাছি ইত্যাদির মতো গ্রামীণ খেলাও খোদপাড়াগাঁওয়ে সবচেয়ে বেশি রয়েছে। গ্রামীণ বাঙালি খেলার মধ্যে হারিয়ে গেছে হা-ডু-ডু, কাবাডি, ডান্ডিয়াবান্ধা, মান্দুরুজ, গদন, খো-খো, ডাঙ্গুলী, গোল্লাছুট, গোষ্ট উল, চিক্কা, আঙ্গো আঙ্গো, কুটকুট, ল্যাংচা, রাজা রাজা, বোমাবাজি, হাড়িভাঙ্গা, বুদ্ধিমন্তর, চা খেলা, বাউচি, কাঠিছোয়া, দড়ি লাফানো, বরফের জল, যুদ্ধের টানাটানি, চেয়ারে বসা, রুমাল নিক্ষেপ, চোখ ধরা, কানামাছি, খোলামেলা বাইক, নৌকা বাইচ, ঘোড়দৌড়, এলেটিং বেলা আগাগোরা, মিদুকুম, বাগনম বোলে, কপাল টোকা, বউরানী, চাক্কা, বাঙ্গের মাথা, লাঠিখেলা, বাল্লিখেলা, ইচ্ছা ভাঙ্গা, কুট কুট, মাইলা, রাম যদু মাদু, চোর ডাকাত, মার্বেল, সাতচরা, থিলোমপ্রেস, শোলাগুড্ডা, ষাঁড়ের লড়াই, মোরগ, লড়াই, বদন, লাপা লাপি, লাগো লাগো, ডালিম খেলা। ইচিং বিচিং, এদ্দাক্কা খেলাদোক্কা, বাইকূপে ওপেন, করি খেলা, কানামাছি, কাবাডি, কুট, গোল্লাছুট, জব্বান বলিখেলা, পাবতী, ডাঙ্গুলী, দাড়িয়াবান্ধা, নুন্টা, নৌকা, পুতুল খেলা, ফুল টোকা, বউচি, বাঘলা মারবেল খেলা মোরগের লড়াই (গ্রামের খেলা), লাটিম, ষাঁড়ের লড়াই, শোল গুটি। উত্তেজনা হারিয়ে গেছে এবং ভাল খেলাধুলা আর দিগন্তে নেই।
নতুন প্রজন্মের কাছে এটা এখন শুধুই গল্প। নামধারী আবার হাসে। শীর্ষ খেলাগুলোর মধ্যে হা-ডু, দাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, বউছিট, ডাং সবচেয়ে বেশি পছন্দের ছিল। শত শত লোক একাই খেলাটি ধরেছে। কিন্তু এখন শুধু মনে আছে গ্রামের খোলা মাঠে এগিয়ে যাওয়ার খেলা। এক সময় এদেশের শিশুরা গ্রামীণ খেলাকে প্রধান খেলা হিসেবে খেলত। আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে গ্রামীণ ক্রীড়া ফেডারেশন গঠন করতে হবে। যাতে আগামী প্রজন্ম আমাদের গ্রামীণ খেলা জানতে পারে।
পুতুলের গল্প,
ভালোবাসা পুতুল খেলা নয়,বাংলা পুতুলের গল্পঃ,পুতুল খেলা,পুতুল খেলা কি জায়েজ?,ভালবাসা পুতুল খেলা নয়,ভালোবাসা পুতুল খেলা নয় 2,সাথীরে ভালোবাসা পুতুল খেলা,ভালবাসা পুতুল খেলা নয় mijan,সাথী রে ভালোবাসা পুতুল খেলা নয়,সাথীরে ভালোবাসা পুতুল খেলা নয়,ও সাথী রে ভালোবাসা পুতুল খেলা নয়,ভালোবাসা মায়ের জিনিস পুতুল খেলা নয়,মনের মানুষ মনটা নিয়া যদি পুতুল খেলা করে,পুতুলের গল্পঃ,পুতুলের নদীতে কাপড় কাচা ও স্নান করা,নতুন বাংলা গান

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন